সিগমন্ড ফ্রয়েড মানুষের ব্যাক্তিত্বে ৩ টি সত্তার অস্তিত্ব কল্পনা করেছেন।
১.ব্যক্তির আদিসত্তা
২.একটি বাস্তবসত্তা
৩.নৈতিকসত্তা
১.আদিসত্তাঃ- আদিসত্তার প্রভাবে মানুষ সর্বদা সুখ ভোগ করতে চায়। সব রকম জৈবিক কামনা চরিতার্থ করতে চায়। এই সত্তার মূলনীতি হলো- সুখ পাওয়া আর দুঃখ এড়িয়ে চলা।
২.বাস্তবসত্তাঃ- ব্যক্তির বাস্তবসত্তার কাজ হলো আদি বা জৈবিক সত্তার সাথে বাস্তব পরিস্থিতির সমন্বয় সাধন। আদিসত্তার বাসনাকে সে বাস্তবের নিরিখে বিচার করে দেখে এগুলোর বাস্তবায়ন সম্ভব কি অসম্ভব। আমাদের ঐচ্ছিক ক্রিয়া কলাপের উপর বাস্তবসত্তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রন থাকে তাই এর চাহিদা প্রকাশমাত্র তা কার্যকর হয় না। যদি দেখে অনুকূলে আছে তাহলে কামনাগুলো প্রকাশ করে। আর যদি দেখে প্রতিকূলে তাহলে কামনাগুলো দাবিয়ে রাখে কিংবা মন থেকে ঝেড়ে ফেলে। পরিস্থিতি সম্পর্কে বাস্তবসত্তার এই বোধ আসে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।
৩.নৈতিকসত্তাঃ- জন্মের সময় মানুষের কোনো নীতি থাকে না। শিশু আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে এবং মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক, ধর্মগুরু বিভিন্ন সংগঠনের সাথে সংশ্রবের মধ্যে দিয়ে তার মধ্যে ক্রমে ন্যায়-অন্যায় বোধ বা নীতিবোধ বিকশিত হয়। এই নীতিবোধের বিকাশ ব্যক্তিসত্তায় একটি নবতর সংযোজন। সাধারণত আমরা নৈতিকসত্তাকে বিবেকের আধার বলে মনে করতে পারি। জীবনে সব সময় নৈতিক সত্তার আদেশ-নিষেধ মেনে চলা হয় তা নয়; এর নির্দেশ মানতে বাস্তবসত্তা বাধ্য নয়। কখনো বাস্তবসত্তা জৈবিক সত্তার আবদার রক্ষা করে, কখনো নৈতিক সত্তার নির্দেশ মেনে চলে। আবার কখনো দু’য়ের মধ্যে আপোস রক্ষা করে চলে।
১.ব্যক্তির আদিসত্তা
২.একটি বাস্তবসত্তা
৩.নৈতিকসত্তা
১.আদিসত্তাঃ- আদিসত্তার প্রভাবে মানুষ সর্বদা সুখ ভোগ করতে চায়। সব রকম জৈবিক কামনা চরিতার্থ করতে চায়। এই সত্তার মূলনীতি হলো- সুখ পাওয়া আর দুঃখ এড়িয়ে চলা।
২.বাস্তবসত্তাঃ- ব্যক্তির বাস্তবসত্তার কাজ হলো আদি বা জৈবিক সত্তার সাথে বাস্তব পরিস্থিতির সমন্বয় সাধন। আদিসত্তার বাসনাকে সে বাস্তবের নিরিখে বিচার করে দেখে এগুলোর বাস্তবায়ন সম্ভব কি অসম্ভব। আমাদের ঐচ্ছিক ক্রিয়া কলাপের উপর বাস্তবসত্তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রন থাকে তাই এর চাহিদা প্রকাশমাত্র তা কার্যকর হয় না। যদি দেখে অনুকূলে আছে তাহলে কামনাগুলো প্রকাশ করে। আর যদি দেখে প্রতিকূলে তাহলে কামনাগুলো দাবিয়ে রাখে কিংবা মন থেকে ঝেড়ে ফেলে। পরিস্থিতি সম্পর্কে বাস্তবসত্তার এই বোধ আসে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।
৩.নৈতিকসত্তাঃ- জন্মের সময় মানুষের কোনো নীতি থাকে না। শিশু আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে এবং মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক, ধর্মগুরু বিভিন্ন সংগঠনের সাথে সংশ্রবের মধ্যে দিয়ে তার মধ্যে ক্রমে ন্যায়-অন্যায় বোধ বা নীতিবোধ বিকশিত হয়। এই নীতিবোধের বিকাশ ব্যক্তিসত্তায় একটি নবতর সংযোজন। সাধারণত আমরা নৈতিকসত্তাকে বিবেকের আধার বলে মনে করতে পারি। জীবনে সব সময় নৈতিক সত্তার আদেশ-নিষেধ মেনে চলা হয় তা নয়; এর নির্দেশ মানতে বাস্তবসত্তা বাধ্য নয়। কখনো বাস্তবসত্তা জৈবিক সত্তার আবদার রক্ষা করে, কখনো নৈতিক সত্তার নির্দেশ মেনে চলে। আবার কখনো দু’য়ের মধ্যে আপোস রক্ষা করে চলে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন